রবি বাবুর এন্ডোর্সমেন্ট
********************
এখনকার বিজ্ঞাপন জগতে প্রচলিত অর্থে এনডোর্সমেন্ট কথাটার মানে হল কোনো বক্তব্য ‚ মন্তব্য ‚ বা লেখা দিয়ে একটি প্রোডাক্ট কে প্রোমোট করতে সাহাজ্য করা |এর যথায্থ বাংলা প্রতিশব্দ আমার জানা নেই |
আমরা এখন টি ভি ‚ খবরের কাগজ ‚ পত্র পত্রিকা খুললেই ‚ রাস্তা ঘাট‚ ট্রাম বাস ‚ পথ চলতি যা কিছু চোখে পড়ে সব কিছুর দিকে তাকালেই দেখি এনডোর্সমেন্টের দাপট | যেহেতু সিনেমা এবং খেলাধুলা এই দুই জগতের নামী দামী মুখগুলো কে আমরা একটু বেশি চিনি তাই ঐ দুই জগতের মুখ দিয়ে ‚ কথা দিয়ে বলানো হয় অমুকটা পরো ‚ তমুকটা খাও ‚ এ ভাবে দাঁড়াও ‚ এ ভাবে হাঁটো ‚ এ ভাবে হাসো ‚ এ ভাবে কাশো ‚ এ ভাবে নাচো ‚ এ ভাবে বাঁচো | যেন এই চেনা-মুখ সেলিব্রিটিরাই সব বোঝে ‚যে এখনো বিয়েই করেনি সে বলে কি ভাবে ছেলে পিলে মানুষ করতে হয় ‚ যে তিন চার বার ডি ভোর্স দিয়েছে সে জ্ঞান দেয় কি ভাবে সুন্দর বিবাহিত জীবন কাটাতে হয় | মানুষ বড় সরল প্রাণী | তাই এ সব বিশ্বাস করে নেয় |
অমিতাভ বচ্চন ‚ শচীন তেন্ডুলকার ‚ শারুখ-সলমন-সইফ খান কারিনা-কারিসমা-রনবীর কাপুর ‚ সাইনা -সানিয়া -বিশ্বনাথন-এরা সবাই এনডোর্সমেন্ট করেন কোটির অংকে | তার পরের ধাপে আরো অনেকে আছেন | তারাও ঐ খেলা বা সিনেমা জগতেরই লোক |
তবে মাঝে সাঝে অন্য জগতের লোকেদের যে একেবারেই দেখা যায় না তা নয় |
সম্প্রতি সুনীল গাঙ্গুলি কে দেখা গেছলো একটি সরষের তেলের বিজ্ঞাপনে আফশোষ করছেন বাঙ্গালির চোখে জল নেই বলে |
আমি জানি না এই সব জনপ্রিয় মুখকে দিয়ে কিছু বলানো হলে জনগনের কাছে সেটা কত তা বিশ্বাসযোগ্য হয় ‚ বা তাতে কত টা বিক্রিবাটা বাড়ে | তবে বিজ্ঞাপন জগতের লোকেদের কাছে নিশ্চয় এর এক টা পরিস্কার হিসেব আছে ‚ কাকে দিয়ে এনডোর্স করালে কতটা বিক্রি বাড়ার সম্ভাবনা আছে |
এই এনডোর্সমেন্টের দর দেখেই সেলিব্রিটিদের সেই সময়ের উচ্চতার মাপ করা যায় | প্রথম সেলিব্রিটি এনডোর্সমেন্ট সম্ভবত লাক্স সাবান শুরু করে | ওদের বিজ্ঞাপনের মডেল বদলে বদলে যেত | সেটা দেখে বোঝা যেত কে সেই সময় এক নম্বর তারকা | ওরা শুরু করে ১৯২৯ সালে লীলা চিটনিস কে দিয়ে | তার পর মিনা কুমারী ‚ নন্দা ‚ সাইরা বানু ‚ আশা পারেখ ‚ শর্মিলা ঠাকুর থেকে এখনকার ক্যাট্রিনা কাইফ অবধি সেই ধারা চলছে |
তিরিশের দশকে সেলিব্রিটি এনডোর্সমেন্ট শব্দটা হয়তো বাঙ্গালির অপরিচিত ছিল | এটা ভালো ভাবে চালু হয় ঘরে ঘরে টেলিভিশন আসার পরে |
তবে যে যাই বলুক এখনো বাঙ্গালির কাছে সব চেয়ে বড়‚ সব চেয়ে জোরদার ‚সবচেয়ে টেকসই সেলিব্রিটির নাম রবি ঠাকুর | ঐ শ্বেতশুভ্র চুলদাড়ির ছাপ দিয়ে অনেক ওঁছা জিনিষও বাজারে চালিয়ে দেওয়া যায় |
এখনও ওনার কবিতা ওনার গান একটু কায়দা করে জুড়ে দিলেই সাত খুন মাফ হয় ‚ সুস্থ রুচীর আগ মারকা ছাপ পাওয়া যায় |
তবে উনি তো আর ইহজগতে নেই তাই নতুন করে কোনো প্রোডাক্টের প্রোমোশনের জন্যে ওনাকে দিয়ে কিছু বলিয়ে নেওয়া আর সম্ভব নয় |মানুষ ট্রাফিক জ্যামে আটকে থাকার ক্লান্তি ও ভুলে যায় ওঁর গানের দু চার কলি কানে ভেসে এলে | ( অন্তত সরকার তাই মনে করেন )
তবে কপি রাইট তো নেই তাই গেঞ্জির বিজ্ঞাপনে একলা চলো রে গান জুড়ে দিলে বা আলুর দমের রেডিমেড মশলার বিজ্ঞাপনে আলো আমার আলো গানের প্যারডি করে আলু আমার আলু ‚ কিম্বা সরষের তেলের বিজ্ঞাপনে - কান্না হাসির দোল দোলানো ইত্যাদি লাগিয়ে দিলে কে আর আপত্তি করতে আসবে | বাঙ্গালি তো কবেই সর্বংসহা হয়ে গেছে | মান ও নেই হুশ ও নেই |
তবে কবি বেঁচে থাকতে অজান্তেই উনি কিছু এনডোসমেন্টের কবলে পড়ে গিয়েছিলেন | সে রকম কিছু উদাহরন রইল -
১৯৩৭ সালে হিমাংশু রায় প্রযোজিত অশোক কুমার ও দেবীকারানী অভিনীত সিনেমা অচ্ছুতকন্যা সিনেমাটি খুব জনপ্রিয় হয়েছিল |
রবীন্দ্রনাথকে ছবিটির প্রথম শোয়ে আমন্ত্রিত করা হয়ে ছিল | সিনেমা হল থেকে বেরোতেই এক সাংবাদিক তাকে সিনেমাটি সম্মন্ধে প্রশ্ন করায় তিনি কয়েকটি প্রশংশা সুচক কথা বলেন | ব্যাস অমনি সিনেমার প্রযোজক পক্ষ সেটি কে লাগিয়ে দেন সিনেমার প্রমোশনে | পরের দিন আনন্দবাজার কাগজে বিজ্ঞাপন বেরোয় -
' দেবীকা রানী ও অশোক কুমার প্রতিভাশালী বাঙ্গালি অভিনেতৃদ্বয় কর্তৃক অভিনীত | অচ্ছুৎ্কন্যা বা হরিজন কন্যা ‚ প্রযোজক হিমাংশু রায় কথা - নিরঞ্জন পাল‚ বাংলার বিখ্যাত শিল্পীর চমকপ্রদ কাহিনি ‚প্রণয় ও আত্নোৎ্সর্গের অপূর্ব ছবি | সহজ হিন্দি সবাক চিত্র‚ ভারতের সর্বত্র সপ্তাহের পর সপ্তাহ এই ছবি অবিশ্রান্ত চলিয়াছে | ১৯৩৭ সালের ৬ই মার্চ আরম্ভ হইতেছে কবীন্দ্র রবীন্দ্রনাথের পৃষ্ঠপোষকতায় প্যারাডাইস সিনেমায় ‚ ৩৯ বেন্টিং স্টীটে ‚ শনি ও রবি তিন বার -৩ টা ‚ ৬টা ‚ ৯-৩০ টায় | এখনই টিকেট বিক্রয় হইতেছে | '
১৯২৯ সালে গডরেজ কোম্পানির সাবানের বিজ্ঞাপনে রবীন্দ্রনাথ কে ব্যাবহার করা হয় -
Advance পত্রিকায় ইংরেজী তে
লেখা হয় - GODREJ is Toilet soap / high class swadeshi soap
'The best in the world ' - Poet Rabindranath speaks highly on our soaps
বাংলায় আনন্দবাজর পত্রিকায় ঐ কোম্পানিই বিজ্ঞাপন দেয় -
" কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বলেন ‚ ' গডরেজ সাবানের অপেক্ষা ভালো কোনো সাবান আমার জানা নেই ‚ আমি ভাবিষ্যতে শুধু এই সাবানই ব্যাবহার করিব স্থির করিয়াছি | "
রবীন্দ্রনাথ প্রায় বাহাত্তর বছর বয়সে কোলকাতা থেকে পারস্য দেশ যাত্রা করেছিলেন KLM বিমানে | এই সফরে সন্তুষ্ট হয়ে লিখেছিলেন-
" কলিকাতা হইতে পারস্য দেশে আমাদের বিমান যাত্রা সম্পুর্নরুপে সাফল্যমন্ডিত হইয়াছে এবং ইহার জন্য ওলন্দাজ বিমান কোম্পানি আমার অতিষয় প্রসংসা লাভ করিয়াছে | বিশেষ আরামের মধ্যে তাঁহাদের যত্ন ও প্রীতির জন্য আমি এই কোম্পানিকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করিলাম | আমার এই বয়সে এই প্রকার সূদীর্ঘ পথ অতিক্রম করা কেবল কে ‚ এল এমএই সম্ভব হইবে | "
এই লেখাটিই KLM তাদের বিজ্ঞাপনে ব্যাবহার করে |
ঐ সময়ে প্রসাধনের জিনিষ পত্র সব বিদেশ থেকেই আসতো | এইচ বোস নামে এক বাঙ্গালি ব্যাবসায়ী প্রসাধন ব্যাবসায়ে নেমে সাফল্য পান |
কুন্তলীন নামক এই কোম্পানির একটি তেল বাজারে খুব চলে |
রবীন্দ্রনাথের একটি প্রসংসাসূচক লেখা এরা প্রবল ভাবে ব্যাবহার করতো সেটি এই রকম -
' কুন্তলীন তৈল আমরা দুই মাস কাল ব্যাবহার করিয়া দেখিয়াছি | আমার কোনো আত্নীয়ের চুল উঠিয়া যাইতে ছিল |কুন্তলীন ব্যাবহার করিয়া এক মাসের মধ্যে নূতন কেশোদ্গম হইয়াছে এবং ইহা ব্যাবহার করিলে গন্ধ ক্রমে দুগন্ধে পরিনত হয় না | ' - রবীন্দ্র নাথ ঠাকুর |
এমন দরাজ সার্টিফিকেট যে কুন্তলীনের বিক্রি যে কয়েক গুন বাড়িয়ে দিয়েছিল তা বোঝাই যায় |
শুধু তাই নয় এই কোম্পানির জন্য রবীন্দ্রনাথ একটি চমৎ্কার ক্যাচ লাইন ও লিখে দেন -
'কেশে মাখো কুন্তলীন
রুমালেতে দিলখোস
পানে খাও তাম্বুলীন
ধন্য হোক এইচ বোস '
একটি দেশজ কলমের কালির জন্য লিখেছিলেন-
' কাজল কালি ব্যাবহার করে সন্তোষ লাভ করেছি ‚ এর কালিমা বিদেশের কালীর তুলনায় কোনো অংশে কম নয় | '
১৯৩৬ সালের মার্চ মাসে পাটনা সহরে কবি কে সম্বর্ধনা দেওয়া হয় | পাটনায় থাকা কালীন যে হোটেলে ছিলেন তাদের আথিতেয়তায় সন্তুষ্ট হয়ে একটি শংসা পত্র দেন দেন | সেটি এই রকম |
During my visit with a group of my students in Patna , the catering was in the charge of Pinto Hotel and I want to express my great satishfaction of the excellent service they have rendered . I myself had the opportunity to taste their food , which is clean ,wholesome and good. I wish the management great success.
বলা বাহুল্য হোটেল কত্তৃপক্ষ এই শংসাপত্রের যথোচিত সদব্যাবহার করেছিলেন তাদের সুনাম বাড়াবার জন্য |
শ্রীঘৃত নামের এক ঘি এর বিজ্ঞাপনের জন্য কবি লেখেন -
' বাংলা দেশে ঘৃতের বিকারের সঙ্গে যকৃতের বিকার দুর্নিবার হয়ে উঠেছে | শ্রীঘৃত এই দুঃখ দুর করে দিয়ে বাঙ্গালিকে জীবন ধারনে সহায়তা করুক এই কামনা করি | "
১৯৩৮ সালের অমৃতবাজার পত্রিকায় প্রকাশিত একটি ক্যাডবেরি কোম্পানির একটি বিজ্ঞাপন বলছে -
Specially recommennded by a freind of mine I have been taking Bounvita sometime and I am definitely benifitted - Rabindra Nath Tagore
এতো অনেকটা সলমান খানের ভিটা-এক্সএর এনডোর্সমেন্টের মত শোনাচ্ছে |
কেশোরাম কটন মিলের একটি বিজ্ঞাপনে রবীন্দ্রনাথের একটি উক্তি এ ভাবে ব্যাবহার করা হয়েছিল -
" কেশোরাম কটন মিলের তৈরি জিনিস্পত্র দেখে আমি খুব খুশি হয়েছি | রং ও পাড়ের বৈচীত্রে শাড়িগুলি মনোরম ‚ মিহি জমি ঠাস বুনোট ও টেকসই ‚ কেশোরামের লং ক্লথ টুইল ‚ তোয়ালে ইত্যাদিও সৌষ্ঠবে ও পারিপাট্যে বাজারে জে সব জিনিস পাওয়া যায় তদের চেয়ে শ্রেষ্ঠ | বাংলা দেশে আমাদেরই একটি মিলে এমন কাপড় প্রস্তুত হচ্ছে দেখে আমি গর্ব বোধ করছি | "
লাহাদের একটি পেনের কারখানা পরিদর্শন করে তিনি লিখেছিলেন -
' আজ এই ভারতী পেন কারখানায় মন আনন্দিত ও আশান্বিত হলো |ভারতী সাধনায় সমস্ত সমস্ত উপকরন আজ ভারত তার সেবায় উৎ্সর্গ করতে পারলো এতে আমাদের ভাবী সম্পদের সূচনা করেছিল | একান্ত মনে এই উদ্যোগের সফলতা কামনা করি |
ফাউনটেন পেন শব্দের বাংলা নামকরন করা গেল ঝর্না কলম | '
লেক মারকেটের কাছে জলযোগের মিষ্টি খেয়ে কবি খুশি হয়ে লিখে দিলেন
' জলযোগের মিষ্টান্ন পরীক্ষা করিয়া দেখিলাম |তৃপ্তি লাভ করিয়াছি | এই সঙ্গে যে দধি সেবন করিলাম তা প্রসংসার যোগ্য | '
প্রসঙ্গত এই দইয়ের নাম পয়োধী ও সম্ভবত রবীন্দ্রনাথেরই দেওয়া |
টকি শব্দের প্রতিশব্দ রুপবাণী ‚ প্রমথেশ বড়ুয়ার ছবির নাম মুক্তি এ গুলিও রবীন্দ্রনাথের দেওয়া |
এ ছাড়া অনেকেই তাদের বই লিখে কবির কাছে কিছু আশীর্বানি চেয়েছেন এবং কবি অকাতরে তা দিয়েছেন | লেখকরা বা তাদের প্র্কাশকরা সে গুলি বিজ্ঞাপনের কাজে লাগিয়েছেন |
এখন প্রশ্ন কবি এই সব বিজ্ঞাপন দিতে রাজী হয়েছিলেন কেন | কিছুটা অনুরোধে ঢেঁকি গেলার কেস আছে | কিছু টা দেশীয় উদ্যোগ কে উৎসাহ দেওয়া উদ্দেশ্য ছিল | উনি স্বাদেশিকতা মানে তো শুধু ইংরেজ কে তাড়ানো বুঝতেন না | এ দেশ কে নিজের পায়ে দাঁড়াতে হলে যে বিদেশী নয় দেশী বিনিয়োগ খুব বেশি করে দরকার এটা তিনি জানতেন | নিজে অনেকবার বিভিন্ন ব্যবসায় বিনিয়গ করেছেন ‚ কিন্তু কৃতকার্য হননি | তাই হয়তো তাই কেও সফল হলে তাকে উৎসাহ দিতেন দরাজ ভাবে |
আর একটা কারন হতে পারে বিশ্বভারতীর জন্জে অর্থ সংগ্রহ করা |
একটি ঘটনা থেকে এ রকম একটা সম্ভাবনার কথা মনে হতে পারে |১৯৩১ সালে ঢাকার তিন জন মহিলা‚ লীলা রায় ‚ রেনুকা সেন ও শকুন্তলা রায় ‚ মিলে একটি পত্রিকা বার করেন | পত্রিকাটির নাম রবীন্দ্রনাথ রাখেন জয়শ্রী | এঁদের একজনের কাছে জানা যায় উনি যখন কবির কাছে যান ‚ কবি ওনাকে কিছু ডয়মন্ড কোম্পানির প্রসাধন দ্রব্য দিয়ে দিয়ে বলেন আমি তো এ সব ব্যাবহার করিনে ‚ তোমরা নিয়ে যাও |
তিনি প্রশ্ন করেন তবে যে ঐ কোম্পানির বিজ্ঞাপনে আপনি যে বলেছেন আপনি এগুলো ব্যাবহার করে তৃপ্তি পেয়েছেন | কবি মৃদু হেসে বলেন একটু কিছু বলে দিলে যদি ভিক্ষার ঝুলিতে কিছু জমা পড়ে ‚ ক্ষতি কি ?
কবি নিজের বাজার দর জানতেন না | সহজে কাউকে প্রত্যাখান করতে পারতেন না | তার সুযোগ অনেকেই নিয়েছেন | এও সত্যি |
আর তাঁকে ভাঙ্গিয়ে আর্থিক উপার্জন করা ? সে তো তাঁর মৃত্যুর পর থেকেই বাঙ্গালি বহুভাবে করে আসছে | ঠিক তাঁর প্রয়ানের পর ১৯৪১ সালের ৯ই আগস্ট আনন্দবাজার পত্রিকাতে একটি বিজ্ঞাপন বেরিয়ে ছিল | সেটি এ রকম -
' অরোরা ফিল্ম করপোরেশনের-
বিশ্ব বরেন্য কবি রবীন্দ্রনাথের
অস্তাচল গমন ‚
চীন যাত্রা ‚শন্তিনিকেতনে রবীন্দ্রনাথ ‚মহাজাতি সদনের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন ‚ রবীন্দ্রজয়ন্তী ‚ স্বদেশী স্টোর্স এর দ্বার উদ্ঘাটন এবং
রবীন্দ্রনাথের অন্তিম শোভা যাত্রা-
এখন চলিতেছে -রুপবানী ‚ ছায়া ও মিনার্ভাতে | "
সোমেনবাবু,
উত্তরমুছুনবাঃ ! খুব ভালো কাজ করেছেন তো ! - এখানে রাখলে বা লা র ব্লগ বন্ধ হয়ে গেলেও কোন সমস্যা হবে না !